মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০, ১১:০১ অপরাহ্ন

ভিক্টোরিয়া ৩শ’ খানপুর ৫শ’ শয্যায় রূপান্তরের ঘোষনা

সোজা সাপটা রিপোর্ট / ২০৫ জন পড়েছেন
রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২০

নিউজ ২৩ / ৪ পাতা / ৪ কলাম /

ভিক্টোরিয়া ৩শ’ খানপুর ৫শ’ শয্যায় রূপান্তরের ঘোষনা

সোজা সাপটা রিপোর্ট : নারায়ণগঞ্জের ১০০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালকে (ভিক্টোরিয়া) ৩০০ শয্যায় এবং খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালকে ৫০০ শয্যায় রূপান্তরের ঘোষণা দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য একেএম সেলিম ওসমান।

রোববার ১৯ জুলাই বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উন্নয়ন নিয়ে এক মত বিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।

এসময় সেলিম ওসমান বলেন, আমি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই শিক্ষা নিয়ে কাজ করেছি। কতটুকু করতে পেরেছি তার প্রমান আপনাদের সামনেই রয়েছে। সুচিকিৎসা নিয়ে হয়তো আমাদের কিছু গাফলতি ছিল। আমাদের ভূল স্বীকার করতেই হবে। নারায়ণগঞ্জের মানুষের চিকিৎসা ব্যবস্থা থেকে আস্থা হারিয়ে গেছে। সব জায়গায় দালাল চক্র। হাসপাতাল থেকে রোগী ছিনতাই করে নিয়ে যাওয়া হয়। খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালের একজন দুর্নীতিবাজের বিচার চাইলাম। তাকে রাজশাহীতে বদলী করে দেওয়া হলো। আমি এ ঘটনার তদন্ত সহ বিচার দাবী করছি। নারায়ণগঞ্জের মানুষের পরিশ্রমের টাকা কেউ আত্মসাত করে নিয়ে যাবে তার বিচার হবে না এটা হতে পারেনা। আমরা প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাবো। উনার কাছে হাত পাতবো। নারায়ণগঞ্জের সদর এবং বন্দরের একটি মানুষও যাতে সুশিক্ষা এবং সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত না হয় আমরা সেই ব্যবস্থা করবো।

ভিক্টোরিয়া ও খানপুর হাসপাতাল সম্পর্কে সেলিম ওসমান আরও বলেন, সিভিল সার্জন আমাকে জানিয়েছেন ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালের ভবনটি ৩ তলা হলেও সেটি ৮ তলা ফাউন্ডেশন দেওয়া। আমরা সেটাকেও উর্ধমুখী স¤প্রসারন করে ৩০০ শয্যায় পরিণত করবো। এদিকে খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালটিও প্রধানমন্ত্রী ৫০০ শয্যা অনুমোদন দিয়েছেন। সেটির কাজ নানা জটিলায় আটকে রয়েছে। আমরা সেখানে ব্যবসায়ীদের সহযোগীতায় সাড়ে ৫ হাজার স্কয়ার ফিট জায়গায় ৬ তলা ফাউন্ডেশন দিয়ে একটি নতুন ভবন নির্মাণ করবো। যাতে করে সেখানে করোনা রোগীদের পাশাপাশি সাধারণ রোগীরাও চিকিৎসা নিতে পারে। কেউ যেন অভিযোগ করতে না পারে হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা পাইনি।

বন্দর উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তা(ইউএনও) শুক্লা সরকার এর সঞ্চালনায় মত বিনিময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন- জেলা সিভিল সার্জন ইমতিয়াজ আহম্মেদ, বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডাক্তার মেহেরুবা আক্তার, বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দরা।

আর্কাইভ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ বিভাগের আরও খবর