মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:৪০ অপরাহ্ন

সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে তথ্য সন্ত্রাসের শিকার কামরুল মেম্বার

সোজা সাপটা রিপোর্ট / ২০৩ জন পড়েছেন
শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২০

অবশেষে তথ্য সন্ত্রাসের শিকার হলেন এনায়েতনগর ইউনিয়ন ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার কামরুল হাসান। এবার তাকে মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে জড়িয়ে খবর প্রচার করা হয়েছে। একটি পত্রিকায় গতকাল এই রিপোর্ট প্রকাশ করা হবার পর তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে মেম্বার কামরুল হাসান জানিয়েছেন, তিনি ওই পত্রিকাটির বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন করতে যাচ্ছেন। রিপোর্টের কোথাও কোনো সূত্র নেই বা স্বাক্ষ্যপ্রমান নেই। তিনি দাবী করে বলেন, গাবতলী এলাকার গোলাম সারোয়ারের যোগসাজসে পত্রিকাটি তার বিরুদ্ধে এমন মনগড়া একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। রিপোর্টে তার ছবি ব্যাবহার করেছে। গোলাম সারোয়ারই আমাকে মাদক ব্যবসায়ী বানিয়ে রিপোর্ট করার জন্য অনেক পত্রিকার সাংবাদিক ও সম্পাদকদের সাথে যোগাযোগ করেছে। একজন সম্পাদকরে কাছে তার ভয়েজ রেকর্ডিংও রয়েছে বলে আমি জানতে পেরেছি। কেউ তার কথায় রাজী না হলেও ওই একটি পত্রিকার সম্পাদক রাজী হয়েছে। গোলাম সারোয়ার গাবতলী মহল্লায়ও আমার বিরুদ্ধে মিথ্য অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। নানা ভাবে কুৎসা রটনা করে চলেছে। অথচ তার বিরুদ্ধে অতীতে ত্রানের চাল চুরির অভিযোগ রয়েছে এবং তথ্য প্রমান সহ গুরুত্বপূর্ণ পত্রিকায় রিপোর্ট প্রকাশ হয়েছে। মূলত তার ষড়যন্ত্রের কারনেই এমন একটি ভিত্তিহীন রিপোর্ট প্রকাশ হয়েছে। সারোয়ার কেবল রিপোর্ট করিয়েই ক্ষান্ত হয় নাই বরং সে পত্রিকা কিনে এনে এলাকায় বিলি করেছে। দেয়ালে সে নিজের হাতে পত্রিকা লাগিয়েছে।

এদিকে গাবতলী এলাকাবাসী জানিয়েছে মেম্বার কামরুল হাসান তার সাধ্য মতো মানুষের পাশে রয়েছেন। তিনি এবার করোনা সংক্রমন শুরু হওয়ার পর থেকে নিজের জীবনের মায়া ত্যাগ করে একজন প্রথম সারির করোনা যোদ্ধা হিসাবে মাঠে ছিলেন। তিনি করোনায় মৃত লাশ দাফন করার জন্য শুরু থেকেই টিম গঠন করেছেন এবং বহু লাশ দাফন করেছেন। তার নির্বাচনী এলাকায় যারা করোনায় আক্রান্ত হয়েছে তাদের ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দিয়েছেন। করোনা সংক্রমন শুরু হওয়ার পর থেকে তিনি যে কি পরিমান পরিশ্রম করেছেন সেটা সারা নারায়ণগঞ্জবাসী দেখেছে। এছাড়া সম্প্রতি তার প্রস্তাবেই এলাকায় সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। যা কিনা গত ১৪ জুলাই নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম উদ্বোধন করছেন। অতিথি হয়ে এসেছিলেন ফতুল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসলাম হোসেন এবং নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক শীতলক্ষার সম্পাদক আরিফ আলম দীপু এবং প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও দৈনিক সোজাসাপটার সম্পাদক আবু সাউদ মাসুদ। গোটা এলাকায় এভাবে সিসি ক্যামেরার নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার কারনে এই গোলাম সারোয়ার সহ এলাকার অন্যান্য মাদক ব্যবসায়ী, চোর ও ছিনতাইকারী রয়েছে বেকায়দায়। এলাকাবাসী কামরুল মেম্বারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক রিপোর্ট প্রকাশ করার জন্য তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

আর্কাইভ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ বিভাগের আরও খবর