শনিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২১, ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন

সোনারগাঁয়ে বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলমের স্মরণসভা

সোনারগাঁ প্রতিনিধি: / ২৪ জন পড়েছেন
আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২০

পাটের জীবন রহস্য উন্মোচনকারী বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম-এর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সোনারগাঁয়ে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে সোনারগাঁও পৌরসভা সংলগ্ন সুবর্ণগ্রাম কালচারাল সেন্টারে ‘সুবর্ণগ্রাম ফাউন্ডেশন’ এ স্মরণসভার আয়োজন করে। স্মরণসভায় বক্তব্য রাখেন সোনারগাঁও সাহিত্য নিকেতনের সভাপতি কবি রহমান মুজিব, সুবর্ণগ্রাম ফাউন্ডেশন-এর প্রতিষ্ঠাতা কবি ও লেখক শাহেদ কায়েস, উদীচী সোনারগাঁ শাখার সভাপতি লেখক শংকর প্রকাশ, সোনারগাঁও সাহিত্য নিকেতনের সাধারণ সম্পাদক লেখক ও সাংবাদিক রবিউল হুসাইন, রোকেয়া আক্তার, মিঠুন চন্দ্র দাস, নাভিয়া লতিফ লামি, দিপ্তী রানী সূত্রধর প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম-এর জীবন ও কর্মের উপর আলোকপাত করা হয়। আলোচকরা বলেন, যে দেশে গুণীর কদর হয় না, সেই দেশে গুণী মানুষ জন্ম নেয় না। আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থে বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম-এর মত মানুষদের স্মরণ করতে হবে। বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলমের স্বপ্ন ছিল পাটের জীবন রহস্য উন্মোচনের গবেষণা সেন্টারটিকে একটি স্বাধীন ইনস্টিটিউট হিসেবে গড়ে তোলা। এ ইনস্টিটিউটে শুধুমাত্র পাটের জিনোম নিয়ে গবেষণা নয়, অন্যান্য শস্যেরও জিনোম আবিষ্কারে গবেষণা করা হবে, যেখানে বাংলাদেশের নবীন গবেষক ও বিজ্ঞানীরা কাজ করার সুযোগ পাবেন।

আলোচনায় একটি বিষয় নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়। একজন আলোচক বলেন- কথা ছিল ‘স্বপ্নযাত্রা’ প্রকল্পটিকে ধীরে ধীরে কৃষি মন্ত্রণালয়-এর অধীনে একটি স্বাধীন ইন্সটিটিউট হিসেবে দাঁড় করানো হবে। ‘স্বপ্নযাত্রা’ প্রকল্পটি যখন শুরু হয়, তখন যে ডিপিপি, অর্থাৎ উন্নয়ন প্রকল্পের ছক পাশ হয়েছিল, যেটার উপর ভিত্তি করে প্রজেক্টটি চলছিল, সেখানে স্পষ্ট লেখা ছিল এটি হবে একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান, যেটা বাংলাদেশের জিনোম গবেষণায় সরকারি-বেসরকারি খাত সহ তৃতীয় বিশ্বের জনগণের জিনোম গবেষণার একটি প্ল্যাটফরম হবে। কিন্তু এখন শুনতে পাচ্ছি গবেষণা সেন্টারটি আলাদা কোনো স্বাধীন ইন্সটিটিউট হবে না, পাট গবেষণা কেন্দ্রের অধীনে জিনোম রিসার্চ উইং হিসেবে থাকবে। এতে আলোচকরা এই ইন্সটিটিউট এর ভবিষ্যৎ নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম-এর হাতে গড়া গবেষণা সেন্টারটিকে স্বাধীন ইনস্টিটিউট হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সরকারের পদক্ষেপ কামনা করেন আলোচকরা। এ ছাড়া পাটের জীবন রহস্য উন্মোচনের জন্য বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলমকে গবেষণায়  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর সর্বাত্মক সহযোগিতাকে সাধুবাদ ও অভিনন্দন জানানো হয়।

আর্কাইভ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ বিভাগের আরও খবর